আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারকারী প্রশান্ত কুমার হালদার (পিকে) যেহেতু দেশে মূল অপরাধটা করেছে তাই তার বিচারের জন্য ভারতের আগে বাংলাদেশ তাকে চাইবে। তিনি আরও বলেন, পিকে হালদারের ব্যাপারে যে অভিযোগ আনা হয়েছে- এখন তাকে ধরার পরে সেই অভিযোগের বিচার করে তার পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা আছে। আমাদের প্রথম পদক্ষেপ হবে তাকে ফিরিয়ে আনা এবং যেই মুহূর্তে তাকে ফিরিয়ে আনা হবে, তখন থেকে তার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনাবিষয়ক দ্বিতীয় জাতীয় সম্মেলনের প্যারালাল সেশন-১ এ প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

আনিসুল হক বলেন, সারা পৃথিবীতেই মানি লন্ডারিংয়ের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর আইন করা হয়েছে। যেটা আমাদের দেশেও রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সঠিকভাবে পদক্ষেপ নিলে অর্থ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বলেন, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে সরকার ডিজিটাইজেশনের ওপর গুরুতারোপ করেছে। ইতিমধ্যে সুপ্রিমকোর্ট ও অধস্তন আদালতে সীমিত পরিসরে ডিজিটাইজেশন চালু হয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগ একটি গণমুখী বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুগান্তকারী ই-জুডিশিয়ারি প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

তিনি বলেন, এসডিজির অন্যতম টার্গেট-জনগণের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এসডিজি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক তিন দিনব্যাপী চলমান সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, সুরক্ষা সেবা বিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিবরা তাদের স্ব-স্ব মন্ত্রণালয়/বিভাগের এসডিজি বাস্তবায়নবিষয়ক অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।