সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে ভারীবর্ষণ না হলেও উজানের আসাম মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। সুরমা নদীর সুনামগঞ্জ পয়েন্টে বুধবার দুপুর ১২ টায় পানি বিপদসীমার ১৭ সেন্টিমিটার অর্থাৎ ৭ দশমিক ৯৭ সেন্টিমটার উপর দিয়ে যাচ্ছিল।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মবর্তারা জানিয়েছেন, উজানের আসাম-চেরাপুঞ্জির ঢলের পানি নামা অব্যাহত থাকায় জেলার ছাতক দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমাসহ সকল নদীর পানি উপচে নিম্নাঞ্চলে ঢুকছে। সকাল নয়টায় সুরমা নদীর ছাতক পয়েন্টে পানি বিপদ সীমার ১৫৮ সেন্টিমিটার অর্থাৎ ৯ দশমিক ৬৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে যাচ্ছিল।

এদিকে, বন্যায় ছাতকের নিম্নাঞ্চলে ১৭২, দোয়ারাবাজারে ২৪, সদর উপজেলায় ১৮, তাহিরপুরে পাঁচ এবং শান্তিগঞ্জের একটি স্কুলের যোগাযোগ পথ প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ টি স্কুলঘরে পানি ওঠায় সেখানে পাঠদান স্থগিত রাখা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম আব্দুর রহমান জানান, জেলার ২৮ টি বিদ্যালয়ে পানি উঠেছে। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা স্কুলে যাচ্ছেন কিন্তু শিক্ষার্থীরা আসতে না পারায় পাঠদান করা যাচ্ছে না।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শামছুদ্দোহা জানালেন, দুপুর ১২ টায় সুরমা নদীর সুনামগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ১৭ সেন্টিমিটার ,ছাতক পয়েন্টে ১৫৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে যাচ্ছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মাত্র দুই মিলিমিটার বৃষ্টি এবং আসাম চেরাপুঞ্জিতে ২১৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।