স্থানীয় মৎস্য অধিদপ্তরের দু'একটি অভিযান চললেও চলনবিলের সব উপজেলায় অধিদপ্তরের সমন্বিত নজরদারির অভাবে নির্বিচারে মা মাছ নিধন চলছেই।

জানা গেছে, বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় এবং দাম ভালো পাওয়ায় স্থানীয় মৎস্যজীবীরা বেপরোয়াভাবে মা মাছ শিকার করেন। বিশেষ করে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর, রায়গঞ্জ; পাবনার ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, চাটমোহর; নাটোরের গুরুদাসপুর, সিংড়া ও নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিস্তীর্ণ বিল অঞ্চলে নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে ডিমওয়ালা বোয়াল, গজার, শোল, কই, মাগুর, শিং, টাকি, টেংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছ শিকার করছেন তারা।

এদিকে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, চলনবিলে নানা কারণে মাছের প্রাচুর্য কমে যাওয়ায় পেশাদার মৎস্যজীবীরা বেকায়দায় রয়েছেন। তাদের ভাষ্য, ইলিশ শিকার বন্ধের সময় সেখানকার মৎস্যজীবীরা যেমন সরকারি সহায়তা পান এখানে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই সংসার চালাতে গিয়ে বাধ্য হয়েই মাছ শিকার করতে হচ্ছে তাদের।

তাড়াশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মশগুল আজাদ জানান, তাড়াশের বিল অঞ্চলে গত ১৫ দিনে ছয়টি অভিযান চালানো হয়েছে। তবে মা মাছ নিধন বন্ধে চলনবিল অঞ্চলে একযোগে অভিযান পরিচালনা জরুরি।

বিষয় : মা মাছ নিধন চলন বিল

মন্তব্য করুন