নীলফামারীর সৈয়দপুরে আলমগীর হোসেন আঙ্গী (২৭) নামক এক জামাইকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (১৮ মে) বিকেল পৌনে ৫টায় পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরা আবাসন এলাকার ২৪/এ ব্লকে নিহতের শ্বশুরবাড়িতে ঘটনাটি ঘটে।

পরে নিহতের ছোট ভাই রুবেল সৈয়দপুর ১০০ শয্যার হাসপাতালে আলমগীরকে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে খবর পেয়ে সৈয়দপুর থানা পুলিশ হাসপাতাল এলাকা থেকে রুবেল (১৮) ও জুলফিকার (২০) নামে দুই যুবককে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাবাদের জন্য আটক করেন।

জানা যায়, নিহত যুবক ছিলেন শহরের ৮ নং ওয়ার্ডের বাঙ্গালীপুর নিজপাড়া এলাকার মৃত তছলিমে পুত্র। তিনি বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী-সন্তান নিয়ে একই আবাসনের ভিন্ন ইউনিটে বসবাস করতেন। ঘটনার আগে নিহত যুবক প্রতিবেশীর বাড়িতে দাওয়াত খেতে যান।

খাওয়া শেষে অসুস্থ বোধ করায় শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে বিশ্রামের জন্য শুয়ে পড়েন। পরে তার শাশুড়ি বিছানায় জামাতার গলাকাটা ও রক্তমাখা দেহ দেখে চিৎকার করলে এলাকাবাসী গিয়ে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেয়। তবে পথিমধ্যেই তার মৃত্যু ঘটে।

আবাসনের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ জানান, নিহত আলমগীর ছিলেন দুই সন্তানের জনক। পেশায় অটোচালক। তার স্ত্রী উত্তরা ইপিজেডে চাকরি করেন। দুইজনের আয়ে ভালোই কাটছিল তাদের দাম্পত্যজীবন। তবে কোন ঘটনার জেরে খুন করা হল এ যুবককে বিষয়টি কেউ অবগত নয়।

সৈয়দপুর থানার এসআই সাইদুর রহমান জানান, জড়িত সন্দেহে দুইজনকে আটক করা হয়। পরে হাসপাতাল থেকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদে খুনের রহস্য উন্মোচন হবে বলে জানান সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত খান।