আসন্ন বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি হলেও ঢাকাবাসীকে আধাঘন্টার মধ্যেই জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন-ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকার ১০০টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নিজস্ব অর্থায়নে আমরা বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন করেছি। সুতরাং এবার আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, এই অবকাঠামো উন্নয়নের সুফল ঢাকাবাসী পাবে। এছাড়াও আমাদের বিশাল কর্মযজ্ঞ রয়েছে, কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। নর্দমার মুখগুলো পরিষ্কারের ব্যবস্থা রয়েছে, কালভার্ট ও খাল আমরা পরিষ্কার করেছি। ভূগর্ভস্থ যে নর্দমা রয়েছে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করেছি। 

‘সুতরাং আমরা আশাবাদী এবং আমরা আত্মবিশ্বাসী … অতিবৃষ্টি হলেও ইনশাআল্লাহ ঢাকাবাসীকে আধাঘন্টার মধ্যেই জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দিতে সক্ষম হবো।’

বুধবার দুপুরে পিডিবি পাওয়ার হাউস সংলগ্ন শ্যামপুর শিল্পাঞ্চলের ঈগলু পয়েন্ট এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে শেখ ফজলে নূর তাপস এ কথা বলেন।

তিনি জানান, ডিএসসিসির ৫৮ ও ৫৯ ওয়ার্ডজুড়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে তারা ১৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। 

জলাবদ্ধতা নিরসনে শ্যামপুরে যেসব খাল খনন করা হবে তাতে যদি আশপাশের কলকারখানার দূষিত পানি আসে, তবে ডিএসসিসি প্রয়োজনে ওইসব কলকারখানা বন্ধ করে দেবে বলে হুশিয়ার করে দেন মেয়র তাপস।

তিনি বলেন, ‘পরিবেশ অধিদপ্তরকে অনুরোধ করব -- যাতে করে তারা নিশ্চিত করে, এখানে শুধু স্বচ্ছ পানি যেন আসে। কোনরকম কলকারখানার পয়োঃবর্জ্য, কলকারখানার দূষিত পানি পানি যেন এই নর্দমায় না দেওয়া হয়। কারণ, এটা দিলে বুড়িগঙ্গার পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা রয়ে যায়।’

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর সিতওয়াত নাঈম, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, সচিব আকরামুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: ফজলে শামসুল কবির, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হকসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।