চট্টগ্রাম নগরের জিইসি কনভেনশন সেন্টার শুক্রবার সেজেছিল এক অন্য রূপে। ভবনের প্রবেশ মুখেই দেখা মেলে শাটল ট্রেনের রেপ্লিকা। তার পাশে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। এরপর স্মৃতিসৌধের বিশাল স্মারক। এ যেন নগরীর বুকে ছোট্ট একটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। এত আয়োজন চবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ আনন্দ উৎসবকে ঘিরে।

জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ দিন যেন বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ফিরে গিয়েছিলেন চবির কয়েক হাজার প্রাক্তন শিক্ষার্থী। গান, নাচ, আড্ডা, স্মৃতি রোমন্থন, প্রিয় বন্ধুদের সঙ্গে কোলাকুলি, ছবি তোলার মধ্য দিয়ে পুরো সময় পার করেন তারা।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় উৎসব। অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সেখানে গান, কবিতা, ছড়া, ম্যাজিক শোতে অংশ নেন সাবেক চবিয়ানরা। গানের সঙ্গে করতালি আর নাচে পুরোটা উপভোগ্য করে তোলেন সবাই। এই তালিকায় বর্তমান শিক্ষার্থীরা যেমন ছিলেন, ছিলেন বয়স্ক প্রাক্তন শিক্ষার্থীও।

অনুষ্ঠানে সাবেক শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিশেষ ব্যক্তিত্বরাও অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব রসায়ন বিভাগের সাবেক ছাত্র আব্দুল করিম, সিএজি মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার ও উপ-উপাচার্য বেনু কুমার দে, সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী ও সাইমুম সরওয়ার কমল, চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি ও চবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, ডা. শেখ শফিউল আজমসহ অনেকে।

বিকেলের নানা আয়োজনের পর সন্ধ্যায় শুভেচ্ছা বক্তব্য, পরিচিতি, নিবন্ধন ও ডিরেক্টরির প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মঞ্চ মাতায় 'জলের গান' ও 'মাইলস' ব্যান্ড।