বরিশালের এক নারীকে সৌদি আরবে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে পাচার ও ওই দেশে নিয়ে গিয়ে নির্যাতনের অভিযোগে বরিশালের আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। 

সোমবার বরিশালের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই নারীর মা। তিনি সদর উপজেলার বাসিন্দা।

সোমবার বিকেলে মামলাটি আমলে নিয়ে মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মঞ্জুরুল হোসেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন বরিশাল নগরের পলাশপুর গুচ্ছগ্রামের দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী লাকি বেগম, তার ছেলে আজমান, ঢাকার নয়াপল্টনের আজিজ অ্যান্ড রিক্রুটিং এজেন্সির পরিচালক কাজী আতাহার হোসেন, অফিস এক্সিকিউটিভ আনোয়ার হোসেন ও অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজন।

বাদী মামলায় উল্লেখ করেন, গত ৪ এপ্রিল আজিজ অ্যান্ড রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরবে যান তার মেয়ে। কিন্তু চাকরি না দিয়ে তাকে দালালের কাছে বিক্রি করে দেন ওই রিক্রুটিং এজেন্সি। দালাল অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন তাকে। বর্তমানে বাদীর মেয়েকে সৌদি আরবের জেদ্দায় আল সাদা নামক শহরের একটি কক্ষে তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়েছে।

বাদী বলছেন, ওই কক্ষে তার মেয়েকে নির্যাতন করা হচ্ছে। ১৪ এপ্রিল মুঠোফোনে তার মেয়ে বিস্তারিত ঘটনা জানান। এরপর তিনি আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিলে তাঁর (বাদী) মেয়েকে ফেরত দেওয়া হবে বলে আসামিরা জানান।