টাঙ্গাইল পৌর শহরের দেওলা এলাকা থেকে এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত রোববার রাতে রিনা আক্তার মায়া নামের ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি কালিহাতী উপজেলার মহেলা গ্রামের হাবিল উদ্দিনের মেয়ে। এ ঘটনায় মায়ার স্বামী ওয়াহেদুল ইসলাম প্রান্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

প্রান্ত পৌর শহরের বিশ্বাস বেতকা মুন্সিপাড়া এলাকার সালাম খানের ছেলে। মায়া টাঙ্গাইল সরকারি কুমুদিনী কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। প্রান্তকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে সোমবার আদালতে পাঠায় পুলিশ। পরে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, দেড় বছর আগে প্রান্তর সঙ্গে মায়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। এরপর থেকেই ওই কলেজছাত্রীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। এ কারণে মায়ার বাবা হাবিল উদ্দিন প্রান্তর বাবার কাছে অভিযোগ করেন।

হাবিল উদ্দিনের অভিযোগ, মায়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এরপর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালায়। এ ঘটনায় প্রতিবেশীরা খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে প্রান্তকে আটক করে পুলিশ।

এ বিষয়ে প্রান্তর বাবা সালাম খান বলেন, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার একপর্যায়ে মায়া গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। প্রান্তর বিরুদ্ধে অহেতুক অভিযোগ করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, মেয়ের বাবা বাদী হয়ে প্রান্তকে আসামি করে আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করেছেন।