সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। গত তিনদিন সুনামগঞ্জ ও উজানে বৃষ্টি না হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে নিচু এলাকার মানুষের ঘরবাড়ি থেকে পানি নামলেও চলাচলের সড়কে পানি রয়েই গেছে। ঘরবাড়িও অনেকের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে ভোগান্তিও আছে এলাকাগুলোতে।

সরকারি হিসাবে বন্যায় জেলাটির তিন উপজেলায় ৩৭ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত বলা হয়েছে। বেসরকারি হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা আরও বেশি।


বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জ সদর, ছাতক ও দোয়ারায় ৬৫ টন চাল ও চার হাজার শুকনো খাবারের পেকেট দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দাবি করেছেন ত্রাণে অপ্রতুলতা আছে।

বন্যা আক্রান্ত এলাকার ২০টি আশ্রয় কেন্দ্রের পাঁচটি থেকে দুর্গত মানুষজন বাড়ি ফেরা শুরু করেছেন। ১৫টি আশ্রয় কেন্দ্রে এখনও ৫৮০ পরিবার রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা ত্রাণ পূনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।


জেলা প্রশাসক বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঘরবাড়ি মেরামত করার জন্য ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কাছে টিন ও নগদ অর্থ চাওয়া হয়েছে। আরও পাঁচ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার দেওয়ারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।