টেস্টে ওপেনিংয়ে ব্যর্থ হয়েছেন লিটন দাস। দল থেকে বাদও পড়েছেন। এরপর মিডল অর্ডারে উইকেটরক্ষক ব্যাটার হিসেবে ছন্দে ফিরেছেন ডানহাতি ব্যাটার। দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যাটার হয়ে উঠেছেন। ওই পজিশনে ব্যাট করে তিনটি সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন, সেঞ্চুরি বঞ্চিতও হয়েছেন বেশ ক’বার। 

ক্যারিয়ারের সেরা সময় কাটানো লিটনকে ব্যাটিং অর্ডারে উপরে আনা উচিত কিনা এটাই এখন বড় প্রশ্ন। তবে লিটন মনে করছেন ছয়ে-সাতে ব্যাটিং করে রান পাচ্ছেন তিনি। আপাতত ওই অর্ডারই তার জন্য ঠিক আছে। তবে ভবিষ্যতে সুযোগ আসবে এবং ব্যাটিং অর্ডার এগিয়ে আসবে বলেও মনে করেন তিনি। 

ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষ দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে লিটন দাস বলেন, ‘এই বছর টেস্টে আমি রান করছি, কততে খেলে রান করেছি? ব্যাটিং অর্ডারে যেখানে আছি ভালো আছি। সুযোগ আসছে আস্তে আস্তে। এখন আমি উপরে ব্যাটিং করার সুযোগ দেখছি না।’ 

ব্যাটিং অর্ডারে অধিনায়ক মুমিনুলকে তিন থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে চারে। দলের সেরা টেস্ট ব্যাটার এবং অভিজ্ঞ মুশফিককে পছন্দের চার নম্বর ব্যাটিং অর্ডার ছেড়ে পাঁচে ব্যাট করতে হচ্ছে। লিটন ওপরে উঠলে তাদের অর্ডার আবার বদলে যাবে। বড় ভাইদের ব্যাটিং অর্ডারে এখন তাই চোখ নেই তার, ‘বড় ভাইরা যখন খেলবেন না, তখন সুযোগ আসবে। সুযোগ আসলে খেলবো।’ 

ঢাকা টেস্টে ব্যাট করতে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে দল। ২৪ রানে হারায় ৫ উইকেট। সেখান থেকে ২৭২ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন লিটন দাস। সাতে নামা লিটন খেলেন ক্যারিয়ার সেরা ১৪১ রানের ইনিংস। পাঁচে নামা মুশফিক সঙ্গীর অভাবে ১৭৫ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। ওই জুটির সুবাদে দল প্রথম ইনিংসে ৩৬৫ রানের সংগ্রহ পায়। 

টেস্টের প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশ দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো বলেছিলেন, লিটন দাস বাংলাদেশ দলের ভবিষ্যত চার বা পাঁচ নম্বর অর্ডারের ব্যাটার। তার এখনও অনেক রান, অনেক সেঞ্চুরি করার বাকি বলে উল্লেখ করেন তিনি। হেড কোচের মতে, লিটন এখন নিজের গেমটা ধরতে পেরেছে। সেটাই তাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে গেছে।