সংসদ সচিবালয় সরকারকে ৮০ কোটি টাকা ফেরত দেবে। করোনা মহামারির কারণে সংসদ অধিবেশনের কম কর্মদিবস এবং কম বিদেশ সফর ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি থাকায় এ অর্থ সাশ্রয় হয়েছে। বুধবার সংসদ কমিশনের বৈঠকের পরে এ তথ্য জানান হয়।

সংসদ কমিশনের চেয়ারম্যান ও স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে কমিশনের সদস্য সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ অংশ নেন। এছাড়াও বিশেষ আমন্ত্রণে চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

২০২২-২৩ অর্থ বছরে সংসদ সচিবালয়ের জন্য ৩৪১ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চলতি ২০২১-২২ অর্থ বছরের জন্য ৩৩৬ কোটি ১৪ লাখ টাকার বাজেট প্রাক্কলন করা হয়েছিল। অবশ্য বুধবারের বৈঠকে এটি কমিয়ে ৩১৬ কোটি এক লাখ টাকার সংশোধিত বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠকের বিষয়ে স্পিকার সাংবাদিকদের বলেন, চলতি অর্থ বছরে যে বাজেট ছিলো তার তুলনায় খরচ কম হয়েছে। বৈঠকে চলতি অর্থ বছরের (২০২১-২২) জন্য ৩১৬ কোটি টাকার সংশোধিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মে মাস পর্যন্ত ১৮৯ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। কর্মকর্তারা যে হিসাব দিয়েছেন তাতে অর্থ বছর শেষে ৮০ কোটি টাকার মত ফেরত দেওয়া সম্ভব হবে।

বৈঠকে সংসদ সচিবালয়ে পাঁচটি যুগ্ম সচিবের পদ বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে সংসদ সচিবালয়ে ৭টি অণুবিভাগ আছে। এখানে যুগ্ম সচিব রয়েছে মাত্র দুই জন।

এছাড়া সংসদ সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন ভাতা বাড়ানো হয়। অধিবেশন চলাকালে আগে অতিরিক্ত খাটুনি ভাতা ৫০০ টাকা ছিল, এবার তা বাড়িয়ে ৬০০ করা হয়েছে। আর অধিবেশন না থাকাকালীন ভাতা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া দুপুরের খাবারের ভাতা (অধিবেশনকালীন) ২০০ টাকার স্থলে ৩০০ টাকা করা হয়েছে।