বাসচালক ও হেলপারের ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পেতে চলন্ত বাস থেকে লাফ দেন বলে জানিয়েছেন সেই তরুণী।

বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) চিকিৎসাধীন ওই তরুণীর সঙ্গে কথা বলে পুলিশ। এ সময় ধর্ষণচেষ্টার এ অভিযোগ করেন তিনি।

গত ১৯ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর কর্ণফুলী সেতু সড়কের রাহাত্তারপুল এলাকায় অচেতন অবস্থায় ওই তরুণীকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। মঙ্গলবার তার চেতনা ফিরে। এতদিন তার সঙ্গে কি ঘটেছিল, তা নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। ফলে পুলিশ শনাক্ত করতে পারেনি বাসচালক ও হেলপারকে।

পুলিশ সূত্র জানা যায়, ১৯ বছর বয়সী ওই তরুণী নগরীর কালুরঘাট বিসিক এলাকার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক। তার বাসা চান্দগাঁও থানা এলাকায়। প্রতিদিন কারখানার শ্রমিকবাহী বাসে করে বাসায় যাতায়াত করতেন তিনি। ঘটনার দিন রাত নয়টায় বাসায় ফেরার জন্য অন্য শ্রমিকদের সঙ্গে তিনিও বাসটিতে উঠেন। বাসটি বহদ্দারহাট মোড়ে পৌঁছালে অন্য শ্রমিকরা বাস থেকে নেমে গেলেও পেছনের আসনে থাকায় তার নামতে দেরি হয়। এ সময় চালক তাকে পেছনে টেনে নিয়ে যান। তখন হেলপার বাসটি চালাচ্ছিলেন। গাড়িতে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। ধর্ষণের হাত থেকে বাঁচতে চালকের সঙ্গে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে রাহাত্তারপুল এলাকায় ওই তরুণী চলন্ত বাস থেকে লাফ দেন।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) নোবেল চাকমা বলেন, জ্ঞান ফেরার পর ওই তরুণীর বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। বাসচালক ও হেলপারকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।