লাশের গোসল ও কাফনের কাপড় পরানো শেষে সবার অপেক্ষা জানাজার। বিভিন্ন এলাকা থেকে আত্মীয়স্বজন আসতে শুরু করেছে। তবে দাফনের আগেই খবর চলে যায় পুলিশের কাছে। নানা অভিযোগ পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে মর্গে।

শুক্রবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার সোনাতলা গ্রামে। হাফিজ (২০) নামে এক তরুণের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে এ ঘটনা ঘটে। তিনি ওই গ্রামের খন্দকার লুৎফর হোসেনের ছেলে। হাফিজ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন নাকি হত্যা- তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বাড়িতে জমি নিয়ে বিবাদের কথাও জানিয়েছেন অনেকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাফিজ ছিলেন অবিবাহিত। আট ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট। এইচএসসি পাস করে ঢাকায় পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করতেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে তিনি বাড়ি আসেন।

হাফিজের ভাই হাবিব জানান, সে মাঝে মাঝেই রাতে ঢাকা থেকে বাড়ি আসত। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে এসে ডাকাডাকি করে কাউকে না পেয়ে অভিমানে আত্মহত্যা করেছে। সকালে ঘরের সামনে বরই গাছে লাশ ঝুলতে দেখেন তিনি।

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।