অচেনা প্রাণীর আক্রমণের খবরে গাইবান্ধায় আবারও তোলপাড়। প্রাণীটি জলাতঙ্কগ্রস্ত কুকুর, শিয়াল বা সমগোত্রীয় হতে পারে বলে জানিয়েছেন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক খলিলুর রহমান।

অধ্যাপক খলিলুর রহমান বলেন, সাধারণত জলাতঙ্কে আক্রান্ত হলে কুকুর, শিয়াল বা সমগোত্রীয় প্রাণী দিজ্ঞ্বিদিক ছুটতে থাকে। যাকে পায় তাকেই আক্রমণ করে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে হলে পদ্ধতিগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা প্রয়োজন।

জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুব হোসেন বলেন, পৌর এলাকার কলেজপাড়া ও আদর্শপাড়ায় প্রাণীটির আক্রমণে অন্তত ৪০ জন আহত হন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অন্যান্য এলাকার শতাধিক আক্রান্ত মানুষকে ভ্যাকসিন, ক্ষতস্থান ড্রেসিংসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আহতদের অনেকেই প্রাণীটিকে জলাতঙ্কে আক্রান্ত পাগলা কুকুর বা শিয়াল বললেও একজনের সঙ্গে আরেকজনের বর্ণনার মিল পাওয়া যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত এর কোনো খোঁজও পাওয়া যায়নি। কিছুদিন আগে পলাশবাড়ী উপজেলা ও আশপাশের এলাকায় একই ধরনের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় ৩০ জন আহত হন।

গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র মো. মতলুবুর রহমান বলেন, অচেনা প্রাণীটিকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তবে শনিবার পর্যন্ত এর খোঁজ পাওয়া যায়নি।