মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ছেলের রডের আঘাতে বাবার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের কেওয়ালীঘাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুল গফুর (৫৫) আদমপুর ইউনিয়নের কেওয়ালীঘাট গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনার পর থেকে গফুর মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম (২৯) পলাতক রয়েছেন।

এ ঘটনায় আব্দুল গফুরের স্ত্রী হাছনাতুন নেছা (৫০) গুরুতর আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মা হাসনাতুন্নেসাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের দাবি, জহিরুল ইসলাম মাদকাসক্ত। রোববার রাতে জহিরুল বাড়িতে ফেরার পর তার সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবা-মায়ের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে জহিরুল ইসলাম লোহার রড দিয়ে তার বাবাকে পেটাতে শুরু করেন। এ সময় আব্দুল গফুরকে রক্ষা করতে তার স্ত্রী হাছনাতুন নেছা এগিয়ে এলে জহিরুল ইসলাম তাকেও মারধর করেন। মারধরের একপর্যায়ে আব্দুল গফুর অচেতন হয়ে পড়লে জহিরুল সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

পরে প্রতিবেশীরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় আব্দুল গফুর ও তার স্ত্রীকে উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। গফুর মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখান থেকে তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তার স্ত্রী হাছনাতুন নেছা বর্তমানে সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইয়ারদৌস হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘাতক ছেলে পলাতক রয়েছে। তবে তাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।