বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বাণিজ্যে বসতি লক্ষ্মী। চট্টগ্রাম অর্থনীতির লাইফ লাইন, গেটওয়ে। চট্টগ্রামের ওপর আমাদের নির্ভর করতে হয়। সেই চট্টগ্রামকে আরও গুরুত্ব দেওয়া দরকার। বন্দরকে আপগ্র্রেড করতে হবে। আশাকরি ৬০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করতে পারব এবার। 

তিনি বলেন, মহাসড়কে ১৩ টনের বাধা পণ্যের ওপর পড়বে। সরকার ব্যবসা করবে না, ব্যবসায় সহায়তা করবে। আমাদের অর্থনীতি তাদের কাছে বিস্ময়। দেশকে এগিয়ে নিতে সরকারের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের অবদান আছে। তেলের দাম বাড়ার পর বাম দল আমার পদত্যাগ দাবি করেছিল। বাণিজ্যমন্ত্রীর পদের প্রতি আমার লোভ নেই।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে চট্টগ্রাম চেম্বার আয়োজিত মাসব্যাপী সিআইটিএফের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে বললেন, যারা পদত্যাগ চেয়েছে তারা তেলের দাম কমাতে পারবে কিনা? ব্রাজিল আর্জেন্টিনা, মালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়ায় তেলের দাম না কমালে এটি সম্ভব? ২০২৬ সাল বেশি দূরে নয়, বাংলাদেশের অবস্থান বদলে গেছে। 

তিনি বলেন, চার বছর আগে মন্ত্রী ছিলাম না, দিল্লি গেছি। এক পাকিস্তানি জানতে চাইল, তোমাদের প্রধানমন্ত্রীর হাতে জাদু আছে? কোভিড নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গোষ্ঠী উদ্ধার হয়েছিল। বৃক্ষ তার ফলে পরিচয়। বাংলাদেশ সরকার অ্যাডভান্সড চিন্তা করেছিল। 

টিপু মুনশি বলেন, তেলের দাম ভারতে ১৫ টাকা, পাকিস্তানে ৩৬ টাকা বেশি। ১০ শতাংশ তেল হয় দেশে। গম, ডাল আমদানি করতে হয়। আমাদের চেষ্টার ত্রুটি নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এক কোটি মানুষকে তেল চিনি ছোলা দিয়েছি সাশ্রয়ী মূল্য। ৫ কোটি মানুষ উপকৃত হচ্ছে। যতদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয় ততদিন এটি চলবে। ভর্তুকি দিতে হবে।

চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য এমএ লতিফ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর। বক্তব্য রাখেন চেম্বারের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করে নাসরিন ইসলাম।