চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের কদমরসুল এলাকায় বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় একের পর এক মরদেহ আসছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে। এ পর্যন্ত ৩৭টি মরদেহ এসেছে।

একইসঙ্গে কিছুক্ষণ পর পর ছটফট করা দগ্ধদের আনা হচ্ছে হাসপাতালটিতে। পুরো বার্ন ইউনিটজুড়ে আগুনে পোড়া গন্ধ। রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তাই এ ইউনিটের পাশে ৩১ নম্বর গাইনী ওয়ার্ডে নতুন একটি ইউনিট খোলা হয়েছে।

হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রতিটি শয্যায় এখন সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার মানুষজন। রোববার দুপুর পর্যন্ত এখানে আগুনে দগ্ধ ৪৮ জনকে ভর্তি করা হয়েছে।

বার্ন ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার লিটন কুমার পালিত সমকালকে বলেন, প্রতিনিয়ত বাড়ছে রোগীর চাপ। ইউনিটে আর জায়গা না থাকায় পাশের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে দগ্ধদের জন্য নতুন একটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। সেখানেই এখন দগ্ধদের চিকিৎসা চলছে।

এদিকে এখানে ভর্তি হওয়া অনেককে অজ্ঞাত পরিচয় হিসেবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।