নোয়াখালীর চৌমুহনী পৌরসভা এলাকা থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ১৯ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আটিয়া বাড়ি পোল সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। 

খবর পেয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল) নাজমুল হাসান রাজীব, বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি সোমবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।   

বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারের ডাচ বাংলার এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাস্টার এজেন্ট সাইফুল বাসার বলেন, প্রত্যেক উপজেলায় ডাচ বাংলা ব্যাংকিংয়ের একটি করে মাস্টার এজেন্ট পয়েন্ট রয়েছে। আমরা বেগমগঞ্জ উপজেলার ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাস্টার এজেন্ট পয়েন্ট। আমরা সব স্থানীয় ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট পয়েন্টগুলোতে টাকা সরবরাহ করে থাকি। 

তিনি বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় চৌমুহনী ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাস্টার এজেন্টের ১৯ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে ডি এস আর মোজাম্মেল হক জামসেদ (৩৮) তা স্থানীয় ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট পয়েন্টগুলোতে বিতরণ করার উদ্দেশে মোটরসাইকেলে যাত্রা করেন। যাত্রা পথে বেলা ১১টার দিকে তিনি চৌমুহনী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আটিয়া বাড়ির পোল সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছলে তিন যুবক মোটরসাইকেলে এসে তার গতিরোধ করে ১৯ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিক পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান রাজীব জানান, খবর পেয়ে তিনি নিজেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে তিনি বলেন, ছিনতাইয়ের শিকার এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ডি এস আর বলছে তাঁর মোটরসাইকেল গতিরোধ করে পেছন দিক থেকে তিন যুবক তাঁর কাছ থেকে ১৯ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। কিন্তু যে জায়গায় টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে সেটি একটি জনবহুল এলাকা।

তিনি আরও বলেন, টাকা ছিনতাইয়ের সময় সে কোনো চিৎকার কিংবা স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতা চায়নি। তাই ছিনতাইয়ের বিষয়টি এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। তদন্তে ভিন্ন কথা আসছে। আদৌ টাকা ছিল কিনা সেটা নিয়েও পুলিশের সন্দেহ দেখা দিয়েছে। পুলিশের কাছে যার কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ নিয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।