জামালপুরে বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। মঙ্গলবার জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে জেলার ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, সরিষাবাড়ি ও বকশিগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। নতুন এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করায় বন্ধ করা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান কার্যক্রম।

জানা গেছে, জেলার ৩২টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এতে শতাধিক গ্রাম বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। এতে জেলার ৫০ হাজার মানুষ হয়ে পড়েছে পানিবন্দি। জেলার ১১৪৭ হেক্টর জমির ফসল ও  ১৫ মিটার বাধ ও রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  এ পর্যন্ত দুর্গত এলাকায় ২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানান, বন্যার পানি প্রবেশ করায় জেলার ১২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান- ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৪৯০ দশমিক ১৬০ মেট্রিকটন জিআর চাল, নগদ ৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকা এবং ৪ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।