পদ্মা সেতু চালুর পর রাজধানীর সঙ্গে খুলনায় যোগাযোগে সময় অনেক কম লাগবে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। গড়ে উঠবে নতুন নতুন শিল্পকারখানা। উন্নয়নেও আসবে নতুন গতি। এতে খুলনা অঞ্চলের দৃশ্যপটই পাল্টে যাবে।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার খুলনা প্রেস ক্লাবে 'দক্ষিণের জানালায় জয়োৎসব' শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। খুলনা প্রেস ক্লাব ও খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন এ সংলাপের আয়োজন করে।

বক্তারা বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর খুলনা থেকে রাজধানীতে যেতে বা আসতে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টার পরিবর্তে লাগবে মাত্র ৪ ঘণ্টা। ফেরিঘাটেও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে না। এতে খুলনায় উৎপাদিত সবজি ও মাছ সহজেই রাজধানীতে নিয়ে যাওয়া যাবে। যোগাযোগ সহজ হওয়ায় মোংলা বন্দর ও মোংলা ইপিজেডের কার্যক্রম গতিশীল হবে। এছাড়াও খুলনা, মোংলা ও রামপালে গড়ে উঠবে নতুন শিল্পকারখানা। বাড়বে কর্মসংস্থান। ব্যাপক উন্নয়ন ও পরিবর্তন ঘটবে খুলনা ও আশপাশের এলাকায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার। খুলনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা। মডারেটর ছিলেন সুন্দরবন একাডেমির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির।

সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ের সভাপতি ফারুক আহমেদ। পরিচালনায় ছিলেন খুলনা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা ও খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিয়াজ।

অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এপপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি হুমায়ুন কবীর, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান, রূপান্তর খুলনার নির্বাহী পরিচালক স্বপন গুহ প্রমুখ।