রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার ইসলামপুরে 'নাশকতার অভিযোগে' জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাসহ চারজনকে আটক করেছে স্থানীয়রা। তবে পুলিশের কাছে সোপর্দ করলেও পুলিশ দু'জনকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে।

জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা ও গুলসাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লুৎফুর রহমান সেলিমের বাসায় বৈঠকে বসেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও রাঙামাটি পৌর জামায়াতের সাবেক আমির মনছুর আলম। এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নানিয়ারচর উপজেলার ইসলামপুর দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক ইসমাইল হোসেন সিরাজী ও আব্দুল কায়ুম হোসাইন নামে আরও একজন।

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগের দিনে এই গোপন বৈঠক ও জামায়াতকে সংগঠিত করে নাশকতার করা হচ্ছে- এমন অভিযোগে তাদের আটক করে স্থানীয়রা।

এ সময় অভিযুক্ত এক জামায়াত নেতার কাছ থেকে একটি বই উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস জানান, বইটিতে জামায়াতের সদস্য সংগ্রহসহ সাংগঠনিক বিষয়াদি উল্লেখ রয়েছে।

নানিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুন ভূঁইয়া জানান, তাদের আইনের আওতায় না এনে এভাবে ছেড়ে দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।

নানিয়ারচর থানার ওসি সুজন হালদার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে স্থানীয় দু'জনকে ছাড়া জেলা থেকে আসা দু'জনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে শনিবার সকালে ইউএনও কথা বলে একজন আইনজীবীর জিম্মায় আটক দু'জনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

নানিয়ারচরের ইউএনও ফজলুর রহমান বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে যদি কোনো নাশকতার আলামত থাকে তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছি ওসিকে।