ময়মনসিংহ নগরীতে জমি নিয়ে বিরোধে বল্লম দিয়ে আঘাত করে হাসিনা বেগমকে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার রাতে নিহতের ভাই মো. ওয়ালি উল্লাহ বাদী হয়ে ১৮ জনের নাম উল্লেখ ও ছয়জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, নগরীর শম্ভুগঞ্জ রঘুরামপুর এলাকায় প্রয়াত জহির উদ্দিন সরকার, আফসার উদ্দিন সরকার ও মৈদর আলী সরকারের সন্তানদের মধ্যে ১৫ শতাংশ জমির ভাগ নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। জমিতে থাকা পুকুর ও দোকানঘর নির্মাণ নিয়ে আদালত ১৪৪ ধারাও জারি করেন। ফলে উভয় পক্ষই শান্ত ছিল।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিবাদে লিপ্ত হন তারা। গত রোববার সকালে ঝগড়া শুরু হলে আফসারের ছেলে শহীদুল বল্লম দিয়ে আঘাত করে জহির উদ্দিনের মেয়ে হাসিনা বেগমের (৪০) বুকে। এ সময় তিনিসহ আরও অন্তত তিনজন আহত হন।

তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসিনাকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ লাশ উদ্ধার মরে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। পরে অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তারা হলেন- মজিবুর রহমান মজি, তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম, হাবিবুর রহমান ওরফে হবি, স্ত্রী শাহেদা বেগম, মফিদুল ইসলাম, স্ত্রী মনোয়ারা বেগম, শহিদুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন, নূরুল আমিন ও সাফিয়া খাতুন। এর মধ্যে মজিবুর রহমানকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গ্রেপ্তারের আবেদন করা হয়েছে আদালতে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহ কামাল আকন্দ বলেন, সামান্য বিষয় নিয়ে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। মামলার অধিকাংশ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।