পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার আতরখালী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ইদ্রিশ আলী সিকদারকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। সে মঠবাড়ীয়া উপজেলার ছোট শৌলা গ্রামের মৃত হাশেম আলী সিকদারের ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী ভাণ্ডারিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে মাদ্রাসা ছুটির পরে অধ্যক্ষের অফিস রুমে ওই নারীকে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ইদ্রিশ আলী সিকদার শ্লীলতাহানি করে। এ সময় তার চিৎকারে মাদ্রাসার নৈশ প্রহরী আল আমিন, মাদ্রাসা শিক্ষক মো. মোস্তফা হাওলাদার ও পরিচ্ছন্ন কর্মী নাঈম হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে অধ্যক্ষের হাত থেকে সে রক্ষা পায় এবং এলাকাবাসী অধ্যক্ষকে আটকে রাখে। পরে ভুক্তভোগী ওই নারী পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে থানা পুলিশ তাক্ষণিকভাবে অধ্যক্ষকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে সোমবার রাতে ভাণ্ডারিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ভুক্তভোগী মামলা করেন।

আতরখালী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক মো. মোস্তফা হাওলাদার, হারুন অর রশিদ, মো. শহিদুল ইসলাম, আবুল কালাম ফৌজদার, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মো, জাকির হোসেন, নৈশ প্রহরী মো. আল আমিন জানান, এক বছর পূর্বে ২০২১ সালের ২৯ মার্চ অভিযুক্ত অধ্যক্ষ এ মাদ্রাসায় যোগদান করেন। তার বিরুদ্ধে আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে।

ভাণ্ডারিয়া থানার উপপরিদর্শক মো. হুমায়ুন কবির সমকালকে জানান, সোমবার ৯৯৯ নম্বর এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে আটক করে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় মামলা করা হয়েছে। আসামিকে আজ মঙ্গলবার পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।