কলকাতা-ঢাকা রুটে ‘সৌহার্দ্য’ নামে যে বাস পরিষেবা চালু করা হয়েছে তাতে যুক্ত হয়েছে আরও দুটি পরিবহন সংস্থা। বাংলাদেশি বেসরকারি পরিবহন সংস্থা গ্রিন লাইন পরিবহন এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সরকারি পরিবহন সংস্থা ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ট্রান্সপোর্ট করপোরেশন এই সেবায় যুক্ত হয়েছে।

বুধবার দুপুর ১টার দিকে কলকাতার কসবা পরিবহন ভবন থেকে কলকাতা-খুলনা-ঢাকার মধ্যে যাতায়াতকারী গ্রিন লাইন পরিবহন সংস্থার 'সৌহার্দ্য' বাস পরিষেবার উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গের পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এ সময় গ্রিন লাইন পরিবহনের মালিক সঞ্জয় মজুমদার উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সোমবার কলকাতা-ঢাকার মধ্যে চালু হয় শ্যামলী পরিবহনের 'সৌহার্দ্য' বাস।

জানা যায়, সোম, বুধ, শুক্রবার এ তিনদিন কলকাতা থেকে ঢাকা এবং মঙ্গল,বৃহস্পতি, শনিবার ঢাকা থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে চলবে এ সার্ভিস। ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০০ রুপি। কলকাতা থেকে ছেড়ে পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত হয়ে বাসটি পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে পৌঁছাবে ঢাকায়।

মানিক বড়ুয়া নামে এক যাত্রী সমকালকে জানান, আশ করি আরামদায়ক ভ্রমণ হবে। প্রথম এই বাসের যাত্রী হতে পেরে খুব ভালো লাগছে।

আরেক যাত্রী তন্দ্রা বড়ুয়া বলেন, এর আগেও আমি অনেকবার যাতায়াত করেছি। তবে আজ প্রথম পদ্মা সেতুর  ওপর দিয়ে যাব, এটা ভেবেই ভালো লাগছে।

উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে পশ্চিমবঙ্গের পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, করোনার কারণে যোগাযোগ বন্ধ ছিল। আবারও বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ শুরু হয়েছে। পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে বাসটি গেলে প্রায় ৪ ঘণ্টা সময় কম লাগবে।

বাংলা আমাদের কাছে আত্মীয়ে মতো উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দুই বাংলার মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই এই বাস সেবাটি পুনরায় চালু করা হলো। তবে যাত্রীসংখ্যা বাড়লে বাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে জানান মন্ত্রী।

গ্রিন লাইন পরিবহনের মালিক সঞ্জয় মজুমদার বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় মানুষ অনেক কষ্টের মধ্যে যাতায়াত করেছে। পরিষেবাটি পুনরায় চালু হলে দুই বাংলার মানুষ উপকৃত হবে।