হবিগঞ্জ শহরতলীর আলমপুর গ্রামে মোবাইল কেনা-বেচা নিয়ে দু’পক্ষের দুই ঘণ্টাব্যাপী ভয়াবহ সংঘর্ষে মামুন মিয়া (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা ও বানিয়াচং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

হবিগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (ওসি, তদন্ত) দৌস মোহাম্মদ জানান, আলমপুর গ্রামে রিপন ও সুহেল মিয়া নামে দুই যুবকের মধ্যে গত কয়েক দিন ধরে মোবাইল কেনা-বেচা নিয়ে একটি বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে তারা শুক্রবার বিকেলে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।


পরে খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা ও বানিয়াচং থানা পুলিশের কয়েকটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত মামুনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি ওই গ্রামের আমির আলীর ছেলে।

এছাড়া আহতদের মধ্যে কিসমত আলী (৬০), শিমুল আহমেদ (২৮), মোস্তফা মিয়া (২০), মেজর মিয়া (২৫) ও জাহেদ মিয়াকে (৩৫) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের সবার পরিচয় পাওয়া যায়নি।

হবিগঞ্জ-নবীগঞ্জ সড়কের আলমপুর অংশে এই সংঘর্ষ চলায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সড়কের দুই পাশে সৃষ্টি হয় তীব্র যানযাট। এতে দুর্ভোগ ও আতঙ্কে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।