সম্পূর্ণ লুহানস্ক অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে ইউক্রেন। ওই অঞ্চলে দেশটির সর্বশেষ শহর ছিল লিসিচানস্ক, যেখানে ইউক্রেনীয় সেনারা লড়ছিল রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে। কিন্তু এর নিয়ন্ত্রণ তারা ধরে রাখতে পারেনি। ফলে দোনবাসের এ গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলটি চলে গেছে রাশিয়ার হাতে। তবে শহরটি ফের জয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বিশেষ করে পশ্চিমা অস্ত্রের সহায়তায় তিনি হারানো ভূমি পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন দেখছেন।

রোববার রাতে হারানো ভূমি পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। খবর আলজাজিরার।

জেলেনস্কি বলেন, লুহানস্ক প্রদেশের সর্বশেষ শহর লিসিচানস্ক থেকে আমাদের সেনাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পশ্চিমা দূর-পাল্লার অস্ত্রের সহায়তায় হারানো ভূমি পুনরুদ্ধার করব।

রাশিয়া বলছে, সেভেরোদোনেৎস্ক দখলের এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে লিসিচানস্ক দখল করা হয়েছে। 

এর মাধ্যমে লুহানস্কের পুরোটাই নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে মস্কো। যা ক্রেমলিনের জন্য রাজনৈতিক বিজয় এবং যুদ্ধের লক্ষ্য পূরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। এখন দোনেৎস্ক প্রদেশ লড়াইক্ষেত্রে রূপ নেবে।  এ দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক মিলে দোনবাস গঠিত। যে দোনবাসকে রক্ষার কথা বলে ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ পরিচালনার নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। 

রাত্রিকালীন ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি পশ্চিমা আধুনিক অস্ত্রের সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য ধন্যবাদ জানান। এর মধ্যে রয়েছে— যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া এইচআইএমএআর এস রকেট লঞ্চার।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, বিষয় হলো— আমরা আমাদের সৈন্যদের জীবন রক্ষা করি, আমাদের জনগণও সমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমরা দেয়ালগুলো আবার তৈরি করব, আমরা আমাদের ভূমি পুনরায় জয় করব এবং সবকিছুর ওপরে মানুষদের রক্ষা করতে হবে।

কিয়েভ থেকে চোখ সরানোর পর রাশিয়া দোনবাস অঞ্চলে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। যেখান ২০১৪ সাল থেকে মস্কোপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ইউক্রেনের সেনাদের বিরুদ্ধে লড়ছে।