নেত্রকোনার মদনে আত্মীয় বাড়ি থেকে ফেরার পথে কিশোরীকে (১৪) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের করা মামলায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে এদিন পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে ধর্ষণের মামলা করেন কিশোরীর বাবা।

গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার বাশরী গ্রামের নূর মিয়ার ছেলে রাব্বি মিয়া (২৫) ও একই গ্রামের মঞ্জুল হকের ছেলে অন্তর মিয়া (২৩)। অন্য আসামিরা একই গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে অটোরিকশায় করে মায়ের সঙ্গে কাইটাইল বাজারের পাশে এসে গাড়ি থেকে নামে কিশোরী ও তার মা। মেয়েটির মা অটোরিকশার ভাড়া দেওয়ার সময় কিছু বুঝার আগেই আরেকটি অটোরিকশা উচ্চ শব্দে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে মায়ের সামনে থেকে কিশোরীকে তুলে নিয়ে যায়। তখন কিশোরীর মা চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন মেয়েটিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিন্তু কোথায় তার সন্ধান পাননি। এদিকে অভিযুক্ত পাঁচ যুবক কিশোরীকে নিয়ে বাশরী গ্রামের সেলিম মিয়ার ঘরে আটকে রেখে চেতনা নাশক ওষুধ খাইয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পরদিন সকালে কিশোরীকে হত্যার ভয় দেখিয়ে আরেক দফা ধর্ষণ করার সময় প্রতিবেশীরা টের পেয়ে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা নির্যাতিত মেয়েটিকে উদ্ধার করে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে ফিরিয়ে দেয়।

মদন থানার ওসি মো.ফেরদৌস আলম জানান, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুইজনকে প্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকী আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।