রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের 'এ' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় শিফটে প্রথম হয়েছেন তানভীর আহমেদ নামের এক শিক্ষার্থী। তিনি ৯২ দশমিক ৭৫ নম্বর পেয়ে ওই শিফটে প্রথম হয়েছেন। তার হয়ে প্রক্সি দিতে গিয়ে আটক হন রাবির ফোকলোর বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী বায়েজিদ খান।

বায়েজিদকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়ে জেলে পাঠান আদালত। এছাড়া ওইদিন আরও তিনজন প্রক্সি দিতে গিয়ে আটক হন। মঙ্গলবার রাবির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলে দেখা যায়, 'এ' ইউনিটের ৩৯৫৩৪ রোল নম্বরধারী তানভীর আহমেদ নামে একজন দ্বিতীয় শিফটে প্রথম হয়েছেন। পরীক্ষার দিন জনসংযোগ দপ্তর প্রশাসকের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও উল্লেখ করা হয়- এই রোল নম্বরধারী তানভীরের হয়ে প্রক্সি দিতে গিয়ে আটক বায়েজিদ খান। 

রাবির ভর্তি পরীক্ষার দ্বিতীয় শিফটের ফলাফলে মেধাতালিকায় তানভীর আহমেদের অবস্থান প্রথম দেখানো হয়েছে। (ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া স্ত্রিনশর্ট) 

আরও দেখা যায়, ওইদিন ৬২৮২৮ রোল নম্বরধারী ইশরাত জাহানের হয়ে প্রক্সি দেন জান্নাতুল মেহজাবিন। নিয়ম অনুযায়ী প্রক্সি বা জালয়াতি ধরা পরার পর ইশরাত বহিষ্কার হবেন, কিন্তু প্রকাশিত ফলে দেখা যায় তিনিও পাস করেছেন। তিনি তৃতীয় শিফটে ৪৬ দশমিক ৯০ পেয়ে ৬ হাজার ৯২১ তম অবস্থানে রয়েছেন। 

তানভীর আহমেদের প্রথম হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে 'এ' ইউনিটের সমন্বয়ক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ইলিয়াছ হোসেন বলেন, এটি আমরা দেখছি। তার ফল বাতিল করা হবে। এ নিয়ে ভর্তি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। 

তিনি আরও বলেন, তার হয়ে প্রক্সি দিয়েছে কেউ এই তথ্য আমাদের দেওয়া হয়নি। প্রক্সি ধরা পরলে তার খাতা আলাদা করে ফেলা হয়। কিন্তু এটি আমাদের অবহিত করা হয়নি। সেজন্য তার নাম রয়ে গেছে।