জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৮৮ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে খুলনা ডিবির সাময়িক বরখাস্ত এসআই আলী আকবর শেখ ও তাঁর স্ত্রী নাজমা আকবরের বিরুদ্ধে আবারও মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায় মামলাটি করেন।

পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, আকবর ও তাঁর স্ত্রী কমিশনে মোট ২১ লাখ ৮২ হাজার ৯৪৩ টাকার সম্পদ বিবরণী জমা দেন। কিন্তু অনুসন্ধানে তাঁদের বিরুদ্ধে মোট ৮৮ লাখ ২২ হাজার ৯৭২ টাকার অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়।

আলী আকবর খুলনা নগরীর ১৮/২ নম্বর পশ্চিম টুটপাড়া মেইন রোডের আঞ্জুমান মঞ্জিলের বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, ১৯৯৬ সালের ৯ অক্টোবর কনস্টেবল পদে যোগ দেন আলী আকবর। দুই ধাপে পদোন্নতি পেয়ে তিনি এসআই হন। খুলনা ডিবিতে আসার আগে তিনি যশোর কোতোয়ালি থানায় ছিলেন। 

দুদক সূত্র জানায়, ২০১১ সালে এসআই আলী আকবরের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও চাঁদাবাজির অসংখ্য অভিযোগ দুদকে জমা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে সত্যতা পেয়ে ২০১১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর প্রধান কার্যালয়ের মাধ্যমে তাঁর কাছে সম্পদ বিবরণী তলব করে কমিশন। ২৬ সেপ্টেম্বর আলী আকবর সম্পদ বিবরণী জমা দেন। এতে নিজের ও স্ত্রীর নামে মোট ৮ লাখ ৭৪ হাজার ৮৩৬ টাকার স্থাবর এবং ১ লাখ ৬৭ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ দেখান।

পরে দুদক অনুসন্ধানে সব মিলিয়ে এই দম্পতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত মোট ১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়ে ২০১৬ সালের ২২ মার্চ খুলনা সদর থানায় মামলা করে। এ মামলার বিষয়ে বিজন কুমার রায় বলেন, ওই মামলায় তদন্ত করে দুদক আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এটি এখন খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে বিচারাধীন।