বগুড়ার সোনাতলায় মাদ্রাসার এক প্রভাষককে পুলিশের মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। শনিবার রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজির নির্দেশে দুই সদস্যের এ কমিটি করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন- শিবগঞ্জ-সোনাতলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাজরান রউফ ও জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পুলিশ পরিদর্শক। তাঁরা চিঠি পেলেই কাজ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন।

এদিকে এ ঘটনার পর শুক্রবার রাত ৯টায় সোনাতলা থানায় আহত প্রভাষকের পরিবারদের সঙ্গে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন বৈঠক করে। সেখানে ওসি জালাল উদ্দিন চিকিৎসার খরচ নিয়ে মীমাংসার প্রস্তাব দিলে স্থানীয়রা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং দোষী পুলিশ সদস্যের শাস্তির দাবি করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ-সোনাতলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাজরান রউফ, সোনাতলা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রেজাউল করিম, সাবেক কাউন্সিলর তাহেরুল ইসলাম, সোনাতলা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিষ্টার, আহত প্রভাষকের পরিবারের সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

আহত প্রভাষক আব্দুল আলিমের বড় ভাই মাহবুর রহমান বলেন, বিনা কারণে পুলিশ আমার ভাইকে মারধর করেছে। চিকিৎসার খরচ চাই না। আমরা ওই পুলিশ সদস্যের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

বৈঠকে উপস্থিত পৌর কাউন্সিলর রেজাউল করিম বলেন, বৈঠকে মীমাংসার কথা বলা হলে আহতের পরিবারসহ এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে সহকারী পুলিশ সুপার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

শুক্রবার দুপুরে গড়ফতেহপুর এলাকায় ছাগল চুরির অপবাদ দিয়ে আব্দুল আলিম নামে এক শিক্ষককে মারধর করেন সোনাতলা থানার এএসআই রশিদুল ইসলাম। আব্দুল আলিম গোবিন্দগঞ্জের চাঁদপাড়া আলিম মাদ্রাসার ইসলামের ইতিহাসের প্রভাষক। তিনি সোনাতলার গড়ফতেহপুর এলাকার মৃত সহকারী অধ্যাপক আব্দুস সাদেকের ছেলে।