নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ফের পালিয়ে আসা আরও সাত রোহিঙ্গা নারী-শিশুকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার মধ্য রাতে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চর আলাউদ্দিন এলাকা থেকে স্থানীয়রা তাদের আটক করে।

আটক রোহিঙ্গারা হলেন, ৭০ নম্বর ক্লাস্টারের নূর বেগম (২১), খায়রুল আলামিন (২), সাইদুল আমিন (২৫), ৭৩ নম্বর ক্লাস্টারের এরফান উল্যাহ (২২), কুলসুম (২০), রবিউল হাসান (২) ও অজ্ঞাতপরিচয় একজন। শনিবার দুপুরে চর জব্বার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন রোহিঙ্গাদের আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের এছাক মুন্সির হাট এলাকা থেকে সাত রোহিঙ্গা নারী ও শিশুকে আটক করা হয়। এ নিয়ে তিনদিনের ব্যবধানে ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা ১৪ নারী-পুরুষ ও শিশুকে আটক করে এলাকাবাসী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাত রোহিঙ্গা একসঙ্গে চট্টগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশে ভাসানচর থেকে দালালের মাধ্যমে পালিয়ে আসে। দালাল চক্র কৌশলে তাদের সুবর্ণচর উপজেলার চর আলাউদ্দিন এলাকায় নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তারা রোহিঙ্গা বলে স্বীকার করে এবং ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসে বলে জানায়।

পরে বিষয়টি চর জব্বার থানায় জানানো হয়। পুলিশ তাদের রাতে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

চর জব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবপ্রিয় দাশ বলেন, শুক্রবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার ৮ নম্বর মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চর আলাউদ্দিন এলাকা থেকে স্থানীয়রা তাদের আটক করে থানায় খবর দিলে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আটক রোহিঙ্গাদের শনিবার দুপুর ২টার দিকে একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, পালিয়ে গিয়ে চর জব্বার থানা পুলিশের হাতে আটক রোহিঙ্গারা বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভাসানচর এসে পৌঁছায়নি।