ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) কারচুপির মাধ্যমে ভোটের ফল জালিয়াতির অভিযোগ এনে একটি মামলা করা হয়েছে। বুধবার চট্টগ্রামের প্রথম সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে নির্বাচনের ফলাফল ও প্রকাশিত গেজেট বেআইনি ঘোষণা চেয়ে মামলা করেন নাসির উদ্দিন নামে এক প্রার্থী।

তিনি গত জুনে অনুষ্ঠিত হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদাবাদ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন। তাঁর পক্ষে বুধবার আদালতে শুনানিতে অংশ নেন বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবী। আদালত আদেশের জন্য তা অপেক্ষমাণ রেখেছেন বলে জানিয়েছেন বাদীর আইনজীবী মোহাম্মদ হাসান আলী চৌধুরী।

গত ১৫ জুন এই ইউনিয়নে নির্বাচন হয়। নির্বাচনে ৬ হাজার ১৯৮ ভোট পাওয়া নৌকার প্রার্থী শওকত আলমকে বিজয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। নাসির উদ্দিন ৫ হাজার ৬৬৯ ভোট পান। চট্টগ্রাম জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাসান আলী চৌধুরী জানান, নির্বাচনে যে প্রার্থী প্রথম হয়েছেন তাঁর ভোট দেখানো হয়েছে চার নম্বর প্রার্থীর পক্ষে। আর যিনি চার নম্বর হয়েছেন তাঁর ভোট দেখানো হয়েছে প্রথম হওয়া প্রার্থীর পক্ষে। এভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে চার নম্বর হওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। ইভিএম মেশিনে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার সময় কমান্ড পরিবর্তন করে জালিয়াতি করা হয়েছে।

বাদী নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ এনে প্রতিকার চেয়ে নির্বাচন কমিশন, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন কার্যালয়ে অভিযোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগের সুরাহা না করেই গত ৮ জুলাই গেজেট প্রকাশ করা হয়। তাই আদালতে যেতে বাধ্য হয়েছি।