পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত বাণিজ্যিকভাবে ইজারা দিতে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) পরিকল্পনার প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরাম। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এ আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের সভাপতি এবং ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক সেকান্দার খান বলেন, পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত জনগণের সম্পদ। সেখানে জনগণের প্রবেশাধিকার রুদ্ধ করা যাবে না। যার যার ব্যবসা সে করুক, কিন্তু জনগণের প্রবেশ বন্ধ করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসের মাঠ, ফ'য়জ লেক চলে গেছে। চাইলেও আমরা এমন নৈসর্গিক পরিবেশে বসে সময় কাটাতে পারব না। বাণিজ্যিকীকরণের কারণে সেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার বন্ধ করা হয়েছে। এখন পতেঙ্গা সৈকতেও সর্বসাধারণের অধিকার হরণ করা হচ্ছে।

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে প্রকৌশলী সুভাষ বড়ূয়া বলেন, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার অংশকে পর্যটন জোন-১ এবং পর্যটন জোন-২ হিসেবে ভাগ করা হয়েছে। টেন্ডারের মাধ্যমে ২৫ বছরের জন্য এই অংশ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ইজারা দিতে যাচ্ছে সিডিএ। টাকার বিনিময়ে ব্যক্তিগত খাতে ইজারা দিয়ে সৈকত বা নদীতীরে প্রবেশের অধিকার আর কোথাও হরণ করা হয়েছে কিনা, আমাদের জানা নেই। অথচ সিডিএর নগরের উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা এবং বিস্তৃত অঞ্চল পরিকল্পনায় (ড্যাপ) পতেঙ্গা সৈকতকে 'সর্বজনের উন্মুক্ত পরিসর' হিসেবে সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে।

শাহরিয়ার খানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের সহসভাপতি আহমেদ জিন্নুর চৌধুরী, প্রকৌশলী এবিএম এ বাসেত, সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাসলিমা মুনা প্রমুখ।