পদ্মা, মেঘনা, সাঙ্গু ও হালদা- এই চার নদীর নামে নামকরণ করা হয়েছে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় জন্ম নেওয়া চারটি সাদা বাঘ শাবকের। এদের মধ্যে একটি বাঘিনী, তিনটি বাঘ।

চিড়িয়াখানায় জন্ম নেওয়া প্রথম সাদা বাঘটির নাম রাখা হয়েছিল শুভ্রা। আজ মঙ্গলবার চারটি সাদা বাঘের জন্মের পর এক মাস আলাদা একটা খাঁচায় মা 'পরী'র সঙ্গে রাখা হয়েছিল শাবকদের। সোমবার বিকেলে বাঘ শাবকগুলোকে জনসমক্ষে আনা হয়। এ সময় এদের নামকরণ করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও চিড়িয়াখানা নির্বাহী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ মমিনুর রহমান।

চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন শুভ বলেন, প্রতিটি বাঘ শাবকের বর্তমান ওজন প্রায় দেড় কেজি। এখনও মায়ের দুধ পান করে বেড়ে উঠছে তারা। এক মাস পর মুরগির মাংস খেতে দেওয়া হবে। চিড়িয়াখানায় এখন বাঘের সংখ্যা দাঁড়াল ১৬টি। তার মধ্যে পাঁচটি দুর্লভ সাদা বাঘ। এখন সাদা বাঘের শাবকগুলো দেখতে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় দর্শকের ভিড় বাড়ছে।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে দরপত্রের মাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার প্রজাতির বাঘ-বাঘিনী ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে আমদানি করা হয়। এগুলোর গড় আয়ু ১৪-১৫ বছর। ১৯৮৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ২০০৩ সালে ঢাকা চিড়িয়াখানা থেকে দুটি বাঘ আনা হয়েছিল। ২০০৬ সালে বাঘ 'চন্দ্র' মারা যায়। ২০০৯ সালে তার সঙ্গী 'পূর্ণিমার' ক্যান্সার ধরা পড়ে। ২০১২ সালের ৩০ অক্টোবর পূর্ণিমা মারা যায়। এর পর চার বছর বাঘশূন্য ছিল চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা।