নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছাত্রলীগ নেতা জামিউল আলিম জীবনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে তাকে আওয়ামী লীগের সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত ১৯ সেপ্টেম্বর ছাত্রলীগ নেতা জামিউল আলিম জীবন ও তার বাবাকে পিটিয়ে আহত করেন আসাদ। বহিষ্কৃত উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন তিনি। 

শনিবার রাতে নলডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস শুকুর ও সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমানের স্বাক্ষর করা একটি চিঠিতে উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদকে দলের সকল শাখার সদস্য পদ থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। ওই ঘোষণায় বলা হয়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর উপজেলা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক জামিউল আলিম জীবন ও তার পিতাকে আপনি ও আপনার সন্ত্রাসী ভ্রাতাগণ একত্রে মিলে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন। জামিউল আলিম জীবন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রামেক) আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ২৩ সেপ্টেম্বর বেলা ১টা ২০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন। যেহেতু আপনি নলডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত দলীয় চেয়ারম্যান এবং নলডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের ১ নম্বর সদস্য হিসাবে দায়িত্বরত ছিলেন, এহেন দায়িত্বপূর্ণ পদে থেকে হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ সংগঠিত করেছেন, যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় গঠনতন্ত্রের সম্পূর্ণ বিরোধী এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের শামিল।

নলডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস শুকুর ও সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান সমকালকে জানান, পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য ওই চিঠির অনুলিপি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর পাঠানো হয়েছে।