আমন ধানের চারা রোপণের সময় মধ্য জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। আবাদের মৌসুম পুরোটাই বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু জুলাই ও আগস্ট মাসে দেশে ৪২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম বৃষ্টি হয়। ফলে আমন আবাদ নিয়ে তৈরি হয় শঙ্কা। সেই শঙ্কা পেছনে ফেলে চলমান আমন মৌসুমে ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জিত হয়। আর এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে পরিকল্পিত সেচ।

গতকাল শনিবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, এ বছর আবাদ লক্ষ্যমাত্রায় জমির পরিমাণ ৫৯ লাখ হেক্টর। আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১ কোটি ৬৩ লাখ টন চাল। বাংলাদেশে ২০২০-২১ সালে আমন ধানের আবাদ হয় ৫৬ লাখ ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদন হয় ১ কোটি ৪৫ লাখ টন চাল। ২০২১-২২ সালে আবাদ হয়েছে ৫৭ লাখ ২০ হাজার হেক্টর জমিতে। আর উৎপাদন হয় ১ কোটি ৫০ লাখ টন চাল।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খরা আর কম বৃষ্টিপাতের কারণে আমন ধান আবাদে প্রায় ১৫ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ দিতে হয়েছে। সেচকাজে ৬ লাখ ৭৪ হাজার গভীর নলকূপ, অগভীর নলকূপ, এলএলপিসহ বিভিন্ন যন্ত্র ব্যবহার হয়। বাংলাদেশে মোট সেচযন্ত্রের সংখ্যা ১৪ লাখেরও বেশি।

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমন উৎপাদনে অনিশ্চয়তা কেটে গেছে। আর কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আমনে উৎপাদন গত বছরের তুলনায় বেশি হতে পারে।