বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহরুবা ইসলামসহ সাম্প্রতিক সময়ে মাঠ প্রশাসনের যে ক'জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে, এর প্রতিটি ঘটনার পৃথক তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর। 

তিনি বলেন, আলীকদমের ইউএনও মেহরুবা ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে তাঁর দোষ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আবুল হাছানাত বলেন, সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়া কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিষয়েও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংশ্নিষ্ট জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকরা তদন্ত করছেন। শিগগিরই প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর সব ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার আলীকদমে একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার দুটি ট্রফি বিতরণ না করে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ইউএনও মেহরুবা ইসলাম আছড়ে ভেঙে ফেলেন। এ ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয়। অন্যদিকে, ১৫ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালীর গলাচিপার একটি কেন্দ্রে কয়েক মিনিটের মধ্যে ৯ শিক্ষার্থীকে বহিস্কার করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল রহমান।

এক প্রশ্নের জবাবে আবুল হাছানাত বলেন, যে কোনো খারাপ কিছুর জন্য সমাজ যেমন বিব্রত হয়, আমরাও তেমনি বিব্রত হই। প্রতিটি ঘটনার পরপরই তদন্ত কমিটি ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার আগে আমার জন্য মন্তব্য করা কঠিন। প্রতিটি ঘটনার পেছনে পরম্পরা থাকে। সেটি না জেনে, না বুঝে মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। মেহরুবা দায়িত্ব পালন করবেন কিনা সেটি তদন্ত প্রতিবেদনেই উঠে আসবে।