ইস্যুভিত্তিক আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে এবং নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে এবার বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি।

সোমবার রাতে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দলীয় সূত্র জানায়।

জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গত জুলাই থেকে সারাদেশে কর্মসূচি পালন করছে দলটি। এর মধ্যে গত ২২ আগস্ট থেকে প্রতিটি জেলা, মহানগর, থানা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে এ কর্মসূচি পালন করে।

একই দাবিতে গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে ১৬টি সমাবেশ ও এক দিন মোমবাতি প্রজ্বালন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। তেজগাঁও এলাকায় সমাবেশের মাধ্যমে এ কর্মসূচি সমাপ্ত হওয়ার কথা থাকলেও তা আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর পল্লবী এলাকায় সরকারি দলের বাধায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়নি। এই সমাবেশটি ১ অক্টোবর পল্লবীতে অনুষ্ঠিত হবে। এতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত থাকবেন বলে স্থায়ী কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সমাবেশকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন দলের শীর্ষ নেতারা। যে কোনো মূল্যে তিনি সমাবেশ অনুষ্ঠানের জন্য দলের দায়িত্বশীল নেতাদের বলেছেন।

স্থায়ী কমিটির সূত্র জানায়, রাজধানী ঢাকায় এসব সমাবেশ শেষ করে দেশের ১০ বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলের হাইকমান্ড। সবশেষে ঢাকায় বড় শোডাউন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন নেতারা। বিভাগীয় শহরে সমাবেশ অনুষ্ঠানের জন্য দলের স্থায়ী কমিটির একেকজন নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁদের নেতৃত্বে এসব বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভায় মহাসচিব ছাড়াও স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন।