পাবনার ঈশ্বরদীতে বাসা নেওয়ার পরই স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে শহরের পৌর এলাকার পশ্চিমটেংরী বাবুপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে স্ত্রীর ক্ষত বিক্ষত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন।

নিহতের নাম সোনিয়া খাতুনকে (২২)। তিনি ঝিনাইদহ জেলার মেহেশপুরের হামিদপুর গ্রামের ইউনুস আলীর মেয়ে ও একই এলাকার সৌদি প্রবাসী রুবেল হোসেনের স্ত্রী। সোনিয়া ঈশ্বরদী ইপিজেডের একটি পোশাক তৈরি কারখানায় চাকরি করতেন।

বাড়ির মালিক একরাম আলী বুদু জানান, বুধবার দুপুরে স্বামী-স্ত্রীসহ স্বজনরা তার বাড়িতে এসে দ্বিতীয় তলার একটি ফ্লাট ভাড়া নেয়। রাতে রান্না করে খাওয়া দাওয়াও করেছেন তারা। সকাল ৮দিকে বাসার দরজা খোলা দেখে ভিতরে ঢুকে সোনিয়ার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। নিহতের গলা ও পেটে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

নিহত সোনিয়ার খালাতো বোন নারগিস খাতুন জানান, সোনিয়া তাকে মুঠোফোনে জানিয়েছে তার স্বামী রুবেল সৌদি আরব থেকে এসেছে। রুবেল আসার পর বুধবার দুপুরে তারা বাবুপাড়ায় বাসা ভাড়া নেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় একজন মুঠোফোনে সোনিয়ার মৃত্যুর খবর জানায়।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্ত রুবেলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পাবনা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রোকনুজ্জামান সরকার জানান, সোনিয়া খাতুনের গলায় ও পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় সিআইডি ও পিআইবি আলামত সংগ্রহ করেছে বলে জানান তিনি।