সাফজয়ী খাগড়াছড়ির তিন ফুটবল কন্যা আনাই-আনুচিং এবং মনিকা। এদের মধ্যে আনাই-আনুচিংর বাড়ি জেলা সদরের সাতভাইয়া পাড়ায় এবং মনিকা চাকমার বাড়ি লক্ষীছড়ি উপজেলায়। তাদের সংবর্ধনা দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে খাগড়াছড়িবাসী। এদিকে নারী দলের জমজ বোন আনাই মগিনী ও আনুচিং মগিনীর বাড়ির সামনে সংযোগ সড়কসহ ব্রিজ করার কথা জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী।

এদিকে শুক্রবার সকালে সহকারী কোচসহ চার খেলোয়ারকে বরণ করে নেবে জেলাবাসী। সেজন্য শহরজুড়ে লাগানো হয়েছে অসংখ্য রঙিন ব্যানার ফেস্টুন। চলছে প্রচারণা। আয়োজকরা জানান, সকাল ৯টায় জেলা শহরের অদূরে রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের ঠাকুরছড়া এলাকা থেকে মোটর ও সুসজ্জিত বাইক শোভাযাত্রার মাধ্যমে তাদের নিয়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে ঐতিহাসিক খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে দেয়া হবে গণ-সংবর্ধনা।

পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী তৃপ্তি শঙ্কর চাকমা জানান, ২০২১/২২ বছর অর্থ বছরে প্রায় ২কোটি ব্যয়ে প্রায় ৩০ফুট দৈর্ঘ্য ও ১২ ফুট প্রস্ত ব্রীজটি নির্মাণ করা হবে। সাথে মূল সড়ক থেকে ব্রীজ পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে। কাজটির পরিকল্পনা ও প্রাক বাজেট এবং নকশা শেষ করা হয়েছে। এখন দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়াধীন।

এছাড়া আগামী অর্থ বছরে মনিকা চাকমার লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার সুমন্তপাড়ার বাড়ীতে যাওয়ার সুবিধার্থে সংযোগ সড়কসহ ব্রীজ নির্মাণ করে দেবে পার্বত্য জেলা পরিষদ।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু বলেন, আনাই, আনুচিং ও মনিকা খাগড়াছড়ির মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমাদের পক্ষে যতটুকু সম্ভব করে যাচ্ছি। খেলোয়রদের নামেই "আনাই-আনুচিং ব্রীজ" ও মনিকা চাকমা ব্রীজ" নামে নামকরণ করা হবে।