অটোরিকশার ভাড়া বাড়ানো নিয়ে কেন্দুয়া উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামে দু'পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। রোববার বেলা ১টার দিকে ছিলিমপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক লোক। তাঁদের মধ্যে খলিলুর রহমান (৩০), তরিকুল (২২), রাতুল (২২), সাকিব (২২) ও রাব্বীকে (১৮) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গ্রামবাসী জানান, কেন্দুয়া উপজেলা সদর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ছিলিমপুর নতুন বাজার পর্যন্ত অটোরিকশার ভাড়া ১৫ টাকা নির্ধারণ করে দেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল কবীর খান। এই সিদ্ধান্ত অমান্য করে আগের ভাড়া ১০ টাকা বহাল রাখার ঘোষণা দেন তুষার ও ফয়সাল নামে দুই ব্যক্তি। ভাড়া বাড়ানো-কমানোর বিষয় নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে দেখা দেয় উত্তেজনা। বিষয়টি মীমাংসার জন্য রোববার সালিশ বৈঠক বসে। এতে বিরোধ মীমাংসা না হওয়ায় সংঘর্ষ বেধে যায়।

একটি অটোরিকশা শ্রমিক সংগঠনের সদস্য ছিলিমপুর গ্রামের বাসিন্দা তুষার মিয়া। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত ভাড়া ১০ টাকা। চেয়ারম্যান এনামুল কবীর গ্রামবাসীর মধ্যে বিরোধ বাধানোর জন্যই কারও সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই ভাড়া ৫ টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন। এ কারণেই সংঘর্ষ হয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এনামুল কবীর খান বলেন, অটো ভাড়া নিয়ে গ্রামবাসী দুই ভাগে ভাগ হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে বেশকিছু লোক আহত হয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ থেকে জানা গেছে, দু'জনকে ভর্তি করা হয়েছে। ৩৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর বাড়িতে পাঠানো হয়। কেউ কেউ তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

কেন্দুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলী জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।