সুনামগঞ্জের ছাতকে এক প্রবাসী যুবককে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার রাতে পুলিশ উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নের উত্তর কুর্শি গ্রামের রাস্তার পাশ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মা-ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা হলো একই ইউনিয়নের দক্ষিণ কুর্শি গ্রামের মোশাহিদ আলীর স্ত্রী শাহানারা বেগম (৪০) ও তাঁর ছেলে রবিউল হাসান (২১)।

তাঁদের দু'জনকে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চাকরির সুবাদে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বসবাস করতেন মো. খালেদ নুর (৩০)। সম্প্রতি খালেদ ছুটি নিয়ে দেশে আসেন। মঙ্গলবার রাত সোয়া ৮টার দিকে গ্রামের মসজিদে এশার নামাজ শেষে মুসল্লিরা যাওয়ার পথে সড়কের পাশে খালেদের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি থানায় জানানোর পর জাউয়াবাজার ও জাহিদপুর তদন্ত কেন্দ্রের একদল পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে।

নিহত খালেদের মাথায় ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। রাতেই সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে তাঁর লাশ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। পরে এ হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে থানা পুলিশ দক্ষিণ কুর্শি গ্রাম থেকে মা-ছেলেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

স্থানীয় লোকজন বলছেন, প্রেমের সম্পর্কের জেরে পরিকল্পিতভাবে প্রবাসী খালেদকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, যুবকের লাশ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।