পাকিস্তানের ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মবার্ষিকী ‘শেখ রাসেল দিবস’ যথাযথ উৎসাহ-উদ্দীপনা ও মর্যাদার সাথে উদযাপন করেছে।

এ উপলক্ষে দূতালয় প্রাঙ্গন বর্ণাঢ্য ব্যানার, পোস্টার ও রঙীন বেলুনে সুসজ্জিত করা হয়। বাংলাদেশ হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা,কর্মচারী ও তাদের পরিবারবর্গ এতে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পাকিস্তানে নিযুক্ত হাইকমিশনার মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী সকল শিশু-কিশোরদের নিয়ে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

হাইকমিশনার মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী তার স্বাগত বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৫ আগস্টে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, শেখ রাসেলের জন্মবার্ষিকী জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপনের সরকারের সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োচিত একটি উদ্যোগ।
 
হাইকমিশনার আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের শিশুরা স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জানতে পারলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্থবহ হবে এবং জাতির পিতার স্বপ্নের 'সোনার বাংলা' বিনির্মাণ সহজ হবে। আলোচনা পর্বের পর, শেখ রাসেলের জীবনীভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ‘শেখ রাসেল দিবস’ উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের মধ্যে বিভিন্ন আনন্দ-ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর হাইকমিশনার শিশুদের সাথে নিয়ে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতি আঁকা প্রমাণ সাইজের একটি কেক কাটেন। শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছেলেমেয়েরা কবিতা আবৃত্তি ও নাচ পরিবেশন করে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত 'বঙ্গবন্ধু যুব আর্ট' প্রতিযোগিতায় বিজয়ী সাত জন পাকিস্তানি প্রতিযোগিদের মাঝে ট্রফি ও সার্টিফিকেট তুলে দেন হাইকমিশনার। এছাড়াও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের ও সকল শিশু-কিশোরদের মাঝে আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়।