ঢাকা সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪

গোয়ালন্দে পৃথক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত, মহাসড়ক অবরোধ

গোয়ালন্দে পৃথক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত, মহাসড়ক অবরোধ

ছবি: সমকাল

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি 

প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ০৫:১৬

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এতে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। একই দিনে দুটি দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ৬ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখেন এবং কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেন।

শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে গোয়ালন্দে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের জমিদার ব্রিজ এলাকায় গোল্ডেন লাইন পরিবহনের দুটি বাস বাইসাইকেল আরোহীকে এবং বিকেল ৪টার দিকে এমএম পরিবহনের একটি বাস গোয়ালন্দ রেলগেট এলাকায় মোটরসাইকেল আরোহীকে চাপা দেয়।

স্থানীয়রা জানান, গোল্ডেন লাইন পরিবহনের একটি বাসের চাপায় আকবর মল্লিক (৬০) নামের এক বাইসাইকেল আরোহী নিহত হন। পরে এমএম পরিবহনের চাপায় রনি মণ্ডল (৩০) নামে আরেক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন।

নিহত আকবর মল্লিক রাজবাড়ী সদর থানার পাঁচুরিয়া ইউনিয়নের মুকুন্দিয়া গ্রামের মৃত মোনছের মল্লিকের ছেলে। তিনি গোয়ালন্দে বাজারে কাপড়ের ব্যবসা করতেন। 

এদিকে নিহত রনি মণ্ডল গোয়ালন্দ উপজেলার গোয়ালন্দ রেল গেট এলাকার আজাদ মণ্ডলের ছেলে।

এ দুটি দুর্ঘটনায় শিল্পী বেগম, কাসেম আলী, আমেনা বেগম ও মাহমুদ নামে চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় ও ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা প্রায় ৬ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে। এ সময় বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে তারা।

রনি মণ্ডলের মৃত্যুর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা অন্তত ২০টি গাড়ি ভাঙচুর করেন। সড়ক অবরোধ করায় জমিদার ব্রিজ থেকে খানখানাপুর এলাকা পর্যন্ত সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।

নিহত রনির স্বজন সোবহান বলেন, এমএম পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেল আরোহী স্বামী-স্ত্রীকে চাপা দিয়ে মোটরসাইকেলটি প্রায় এক কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায়। আহত অবস্থায় শিল্পী ও তার স্বামী রনিকে প্রথমে গোয়ালন্দ হাসপাতালে নিয়ে যায়, সেখান থেকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন রনি মণ্ডলের মৃত্যু হয়।

আলাদিপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম বলেন, গোল্ডেন লাইন পরিবহন ও এমএম পরিবহনের বাস দুটিকে জব্দ করা হয়েছে। চালক ও সহকারী চালক পালিয়ে গেছে। জনতার দাবির মুখে স্পিড ব্রেকার দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন

×