মুন্সীগঞ্জ সদরের সঙ্গে গজারিয়া উপজেলার সড়ক যোগাযোগের সেতুবন্ধনে মেঘনা নদীতে আবারও ফেরি সার্ভিস চালু হয়েছে।

প্রায় চার বছর পর বুধবার দ্বিতীয় দফায় এই সার্ভিস উদ্বোধন করেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস। এর মাধ্যমে জেলা শহরসহ পাঁচটি উপজেলার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন থাকা গজারিয়া সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ফের একীভূত হলো।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিআডব্লিউটিসির পরিচালক (কারিগরি ও প্রশাসন) রাশেদুল ইসলাম, ইউএনও জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ।

এর আগে ২০১৮ সালের ২ জুন এ নৌরুটে ফেরি সার্ভিস উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে দুই পাড়ের যাতায়াতের বেহাল সড়ক, যানবাহন সংকটসহ নানা কারণে কয়েক মাস পরেই তা বন্ধ হয়ে যায়। সরিয়ে নেওয়া হয় ঘাটের পন্টুনও। এতে মেঘনার চার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে ভরসা হয়ে ওঠে ঝুঁকিপূর্ণ ট্রলার। আবার অনেকেই জেলা শহর থেকে অটোরিকশা কিংবা মাইক্রোবাসে বিকল্প সড়কপথে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড ও সোনারগাঁ হয়ে প্রায় ৬৯ কিলোমিটার ঘুরে গজারিয়ায় যাতায়াত করছিলেন। অথচ এর দূরত্ব মাত্র ৪০ কিলোমিটার।

বিআইডব্লিউটিএ জানায়, ফেরি সার্ভিস চালুর সঙ্গে সঙ্গে যানবাহন পারাপার শুরু হয়েছে। তিনটি ফেরি 'স্বর্ণচাঁপা', 'সন্ধ্যা মালতী' ও 'কর্ণফুলী'র মাধ্যমে নদী পারাপারে মাথাপিছু ভাড়া ১৫ টাকা।

এ ছাড়া বড় বাস ১ হাজার ২০০ টাকা, মিনিবাস ৮১০, বড় ট্রাক ৮৪০, মাঝারি ট্রাক ৭০০, ছোট ট্রাক ৫৫০, মাইক্রোবাস ৪২০, পিকআপ ভ্যান ৪০০, প্রাইভেটকার ও জিপ ৩৫০, অটোরিকশা, সিএনজিচালিত রিকশা ও ভ্যান ১২০ এবং মোটরসাইকেল পারাপারে লাগবে ৬০ টাকা।