পাহাড়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাঙামাটি এসেছেন একদল কূটনীতিক। তাঁরা জাতিসংঘের উন্নয়ন কার্যক্রমের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ভবিষ্যতে উন্নয়ন কার্যক্রমে অগ্রাধিকার বিষয়ে আগ্রহ জানতে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন।

মঙ্গলবার দুই দিনের সফরে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন চার দেশের রাষ্ট্রদূত-হাইকমিশনার, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জাতিসংঘের প্রতিনিধি। 

সফরের প্রথম দিনে মঙ্গলবার ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি পৃথকভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরীর সঙ্গে তাঁদের কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন লিলার। এ সময় প্রতিনিধি দল পাহাড়ের সার্বিক পরিস্থিতি এবং পার্বত্য চুক্তির যেসব শর্ত এখনও বাস্তবায়ন হয়নি, সেগুলোর কারণে তিন পার্বত্য জেলায় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে কোনো চ্যালেঞ্জ আছে কিনা, তা জানতে চায়।

প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন- ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান চার্লস হোয়াইটলি, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন, নরওয়ে রাষ্ট্রদূত স্পেন রিকাটার এসভেন্ডসেন, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস। সাক্ষাতের সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, ঝর্ণা খীসা, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম ও নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুদ্দীন মো. শিবলী নোমান প্রমুখ। বুধবার দাতা সংস্থার অর্থায়নে পরিচালিত প্রত্যন্ত জুরাছড়ি উপজেলার গ্রামীণ সাধারণ বন (ভিসিএফ) পরিদর্শনে যাওয়ার কথা আছে প্রতিনিধি দলের।