প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে চট্টগ্রামবাসী প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের উন্নয়নে যে আন্তরিকতা দেখিয়েছেন, তার আন্তরিকতাকে স্বাগত জানিয়ে জনসভা সফল করার নৈতিক দায়িত্ব নিতে চট্টগ্রাম প্রস্তুত। জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করে নেত্রীর ঘোষিত কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার নগরীর টাইগারপাস সিটি করপোরেশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়। আগামী ৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসনিার জনসভা সামনে রেখে আয়োজিত সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা জানান। সভায় নগরীর বিভিন্ন সেবা সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি নগরীর সেবা সংস্থাগুলোকে নিজ নিজ দায়িত্বে জনসভার প্রয়োজনীয় কর্মকাণ্ড দ্রুত শেষ করার আহ্বান জানান।

সিটি মেয়র বলেন, পলোগ্রাউন্ড মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা সামনে রেখে নগরীকে পরিপাটি করে সাজানো হচ্ছে। জনসভার প্রবেশ পথ সুগম ও মসৃণ করে তোলা হয়েছে। জনসভায় আগত জনসাধারণের কোনো সমস্যা যাতে না হয়, সেজন্য মাঠের ভেতরে ও চারিদিকে লোক সমাগমের স্থানগুলোকে চিহ্নিত করে পর্যাপ্ত সুপেয় পানি, ভ্রাম্যমাণ ও অস্থায়ী টয়লেট স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, বিপ্লবতীর্থ চট্টগ্রাম সবকিছুতে অগ্রণী ভুমিকা পালন করে ইতিহাসের অংশ হয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রামের গৌরবময় ভূমিকা রয়েছে। পাকিস্তান কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু মুক্ত হয়ে ফিরে এসে এই ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ডে এক বিশাল জনসমুদ্রে চট্টগ্রামবাসীকে সম্ভাষণ জানাতে এসেছিলেন। তারই সুযোগ্য কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বিজয় দিবসকে সামনে রেখে আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রস্তুতির দিকনির্দেশনা দেবেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ও মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেমের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন সিটি করপোরেশনের সচিব খালেদ মাহমুদ, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (ট্রাফিক পশ্চিম) মো. তারেক আহমেদ, বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাছান।