নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, বিএনপির নেতারা বাড়িতে ঘুমিয়ে থাকলেও ঢাকায় তাঁদের সমাবেশে লাখ লাখ লোক উপস্থিত হবেন। ছাত্রলীগ-যুবলীগ ধারেকাছেও ঘেঁষবে না। এর আগে বিভাগীয় সমাবেশগুলোতে সরকার মানুষ আটকাতে পারেনি। ঢাকায়ও তারা ঠেকাতে পারবে না। ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ কোথায় হবে, এখনও কেউ জানে না। তবে এখন থেকেই মানুষ প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।

শুক্রবার নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা গণতন্ত্র মঞ্চের সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি। সরকার ও শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করা এবং রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে বাধা, হামলা-মামলা, দমনপীড়ন, গুলি-হত্যার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

জেএসডি নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মোতালেব মাস্টারের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম।

মান্না বলেন, আজ সভা ডাকলেই বিশাল জনসমাগম হয়। মানুষ চিরাগুড় নিয়ে তিন দিন আগে চলে যান। এমন দৃশ্য কি আগে কখনও দেখেছেন? মানুষ পরিবর্তন চান। আজ সব জিনিসের দাম বেশি। মানুষ ব্যাগভর্তি টাকা নিয়ে অর্ধেক ব্যাগ বাজার আনেন। মাছ-মাংস খাওয়া মানুষ প্রায় ছেড়ে দিয়েছেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, আমাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এ সরকারের অধীনে ভোটাধিকার অর্জন সম্ভব নয়। আমাদের প্রথম কাজ এ সরকারকে পদত্যাগ করাতে হবে। একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। সংবিধান সংশোধন করে ক্ষমতার ভারসাম্য ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

তিনি বলেন, আজ গণজাগরণ সৃষ্টি হচ্ছে। এ গণজাগরণকে আর বিফলে যেতে দেওয়া হবে না। সরকার বলে, তারা উন্নয়ন করেছে। উন্নয়ন তো দেখছি। বড় বড় স্থাপনা হচ্ছে। আইয়ুব খানের আমলেও বড় বড় স্থাপনা হয়েছে। এরশাদের আমলেও হয়েছিল। তাদের ১৪ বছরের উন্নয়ন দুর্ভিক্ষে রূপ নিয়েছে।