নৌযান শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের কারণে সারাদেশের মতো রোববার পটুয়াখালীতেও সব রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। 

নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র, সার্ভিস বুক প্রদান ও সর্বনিম্ন মজুরি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নৌযান শ্রমিকরা শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে অনির্দিষ্টকালের এ ধর্মঘট আহ্বান করেন। এতে বিপাকে পড়েছেন দক্ষিণ উপকূলের শত শত যাত্রীরা।

সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া এলাকার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘তিনি বেশ কিছুদিন যাবৎ অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য রোববার ঢাকা যাবার কথা ছিল। কিন্তু লঞ্চ ধর্মঘটের কারণে তিনি যেতে পারেননি। এখন বাধ্য হয়ে অসুস্থ শরীর নিয়ে রাতের বাসে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেব।’

সুন্দরবন লঞ্চ কোম্পানির পটুয়াখালীর বুকিং ইনচার্জ মো. জাফর আহমেদ বলেন, ‘শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে এমভি সুন্দরবন-১৪ ও এমভি প্রিন্স আওলাদ-৭ নামে দুটি লঞ্চ ছেড়ে আসে এবং রোববার বিকেলে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটের ফলে কোনো লঞ্চই ঘাট থেকে ছেড়ে যায়নি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।’

এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএ'র পটুয়াখালীর উপ-পরিচালক মামুন আর-রশীদ জানান, রোববার সকালে এমভি সুন্দরবন-১৪ ও এমভি প্রিন্স আওলাদ যাত্রী নিয়ে পটুয়াখালী ঘাটে এসেছে। কিন্তু তারা যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে না। শ্রমিকদের কর্মবিরতির বিষয়ে সরকার, মালিক পক্ষ এবং শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে। কর্মবিরতি প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।