ম্যাচের শুরুতেই ছিল হেরে গেলে বিদায়ের শঙ্কা। লিওনেল মেসির পেনাল্টি মিস এবং প্রথমার্ধের গোলশূন্যতা হতাশা ও শঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই অনবদ্য শটে গোল করেন মিডফিল্ডার মার্ক এলিস্টার। এরপর ম্যাচের ৬৭ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করেন স্ট্রাইকার জুলিয়ান আলভারেজ।

এর সঙ্গেই যেন বুকের ওপর থাকা পাহাড়সম চাপ সরে গেল আর্জেন্টিনা সমর্থকদের। তাই খেলা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসের আনন্দক্ষেত্রে পরিণত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

বুধবার দিবাগত রাতে ম্যাচের শেষ বাঁশির আওয়াজে প্রিয় দলের সমর্থনে মুহুর্মুহু উন্মাতাল স্লোগানে ফেটে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণ। নাচে-গানে উল্লাসে ফেটে পড়েন আর্জেন্টিনা সমর্থকরা। আর তাতে টানা দুই ম্যাচ জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই নকআউট পর্বে পোঁছে গেছে আলবিসেলেস্তারা।

খেলা শেষ হতেই বেশিরভাগ আর্জেন্টিনা সমর্থকের হাতে পতাকা এবং কারও কারও হাতে ভুভুজেলা দেখা যায়। প্রতিটা খণ্ড মিছিল থেকে চিৎকার শোনা যাচ্ছিল, শোনা যাচ্ছিলো মেসি, আর্জেন্টিনা স্লোগান। বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হল মাঠ প্রাঙ্গণ, স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বর ও ঢাবির হলে হলে এমন চিত্র দেখা যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ভেন্যুতে ডিজিটাল স্ক্রিনে বিশ্বকাপের খেলা দেখছেন শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণির মানুষ। তৈরি হচ্ছে অন্যরকম আমেজ।

আর্জেন্টিনা সমর্থকরা বলছেন, আমরা আশা হারাইনি। মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা তা পূরণ করতে পেরেছে। আশা করি নকআউট পর্বেও আর্জেন্টিনা জয়ের ধারা অব্যাহত রাখবে। মেসির হাতে একটি বিশ্বকাপ উঠুক।